• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
  • |
  • #
  • |
ব্রেকিং নিউজ
ধনিয়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষের অভিযোগ: ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের দাবি, পাল্টা বক্তব্যে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ ঈদযাত্রায় নৌপথে কঠোর নিরাপত্তা: দক্ষিণাঞ্চলে কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল জোরদার ভোলায় শুরু হচ্ছে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬“জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা” গড়তে চার দিনব্যাপী আয়োজন ভোলায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ: অভিযুক্ত গ্রেফতার, হাসপাতালে ভিকটিমকে দেখতে গেলেন পুলিশ সুপার জাপানের ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমোকির সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ইলিশায় লঞ্চে কোস্ট গার্ডের অভিযান: অস্ত্র-গোলাবারুদ ও গাঁজাসহ সন্ত্রাসী আটক ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরীক্ষার ফল নিয়ে মানসিক চাপে আত্মহত্যার আশঙ্কা ভোলায় বিএনপি নেতাদের যোগসাজশে হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি ও ঘর দখলের অভিযোগ গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ঐক্যের আহ্বান, শহরজুড়ে প্রতিবাদের সুর ভোলায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের র‍্যালি, ন্যায্য মজুরি ও অধিকার নিশ্চিতের দাবি

ভোলায় জমি বিরোধে নতুন বিতর্ক: সালিশ না করেই আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আবেদন, মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

রিপোটার নাম / ৫২ সময় দেখুন
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

আরিফুল ইসলাম
ভোলা প্রতিনিধি:

ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদুরচর এলাকায় জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ, হামলা ও মামলা চলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সালিশ বৈঠকের নামে স্ট্যাম্পে আদালতের চলমান মামলা নিষ্পত্তির আবেদন করার অভিযোগ উঠেছে সালিশের সভাপতির বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদুরচর এলাকার সুলতান হাওলাদার বাড়ির আব্দুল মালেক গংদের সাথে একই বাড়ির আবু ও ইউনুস গংদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার হামলা ও মামলার ঘটনাও ঘটেছে।

এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গেলে তারা সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেন। এ সময় সালিশ পরিচালনার জন্য স্ট্যাম্পে উভয় পক্ষের সালিশদারদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়। সেখানে উল্লেখ ছিল আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করার বিষয়টি।

পরে ওই সালিশ ও মীমাংসা মজলিসের সভাপতি করা হয় বাপ্তা চরপটকা এলাকার হারুন মেম্বারকে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এক পক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে সালিশ কার্যক্রম সম্পন্ন না করেই একই স্ট্যাম্পে আদালতের চলমান মামলার নিষ্পত্তি চেয়ে আবেদন করেছেন।

এ বিষয়ে অন্যান্য সালিশদারদের সাথে কথা বললে তারা জানান, জমি সংক্রান্ত ওই বিরোধ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সালিশ বা মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি। তাই মামলার নিষ্পত্তি চাওয়ার কোনো সুযোগই ছিল না। তাদের দাবি, তারা এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেননি এবং যদি কেউ করে থাকে তাহলে তা সম্পূর্ণ অন্যায়।

সালিশদার আলাউদ্দিন মুন্সী বলেন, “আমরা বসে দুই পক্ষের কাগজপত্র দেখার জন্য সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু নির্বাচন সামনে থাকায় ব্যস্ততার কারণে এখনো বসা সম্ভব হয়নি। ফলে জমির বিষয়টি এখনো মীমাংসা করা যায়নি।”
স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা আদালত থেকে সময় নেওয়ার জন্য স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু মামলা নিষ্পত্তির জন্য কোনো স্বাক্ষর করিনি। কে বা কারা মামলা নিষ্পত্তির আবেদন করেছে তা আমরা জানি না। যদি কেউ করে থাকে, তাহলে সে অন্যায় করেছে। এ বিষয়ে সভাপতি ভালো বলতে পারবেন।”

সালিশের সভাপতি হারুন মেম্বার এর সাথে কথা বললে তিনি উক্ত বিষয়ে কোন ধরনের উত্তর দিতে পারেননি।
এ ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর